Pages

Wednesday, August 10, 2016

‘Our struggle is against those hypocrites’

During the 1970 election campaign Bangabandhu made his policy crystal clear. In a Radio speech he said ” It is alleged that we don’t believe in Islam. In response, I would like to make it very clear that we don’t believe in any ‘apparent or labelled Islam’. Rather we believe in an Islam which ensures absolute justice. We believe in the Islam of the Holy Prophet (sa), which has taught us the lessons of equity and justice. Those who have repeatedly patronised injustice, tyranny, atrocity and deprivation in Pakistan posing as the guardians of Islam, our struggle is against those hypocrites.”


Monday, November 4, 2013

‘মূল’কে বাদ দিয়ে মৌলবাদী- পর্ব ০৩

প্রসঙ্গ: ড. আহমদ শরীফ এবং মুক্তবুদ্ধির চর্চাকারীদের ‘নাস্তিক’ ও ‘মুরতাদ’ আখ্যা দিয়ে তাদের মৃত্যুদ- ও অন্যান্য শাস্তি দাবী।
’৯০ দশকের গোড়া থেকে মৌলবাদীদের পক্ষ থেকে যাকে ইচ্ছা ‘নাস্তিক’ আর যাকে ইচ্ছা ‘মুরতাদ’ ঘোষণা দিয়ে জাগতিক শাস্তির দাবীতে মিছিল-আন্দোলন বিশেষভাবে লক্ষণীয়। ‘নাস্তিক’ বলা হয় তাকে যিনি মহান আল্লাহ্ বা স্রষ্টার অস্তিত্বকে অস্বীকার করেন। আর ‘মুরতাদ’ শব্দটি ‘ইরতাদ্দা’ ক্রিয়াপদ থেকে নির্গত যার অর্থ হলো, যিনি নিজে ধর্মত্যাগ করেছেন ও ধর্মত্যাগের প্রকাশ্য ঘোষণাও দিয়েছেন। এই ক্রিয়াপদটি ‘লাযেম’ অর্থাৎ যে ক্রিয়া কর্তা নিজে সম্পাদন করে। ‘মুরতাদ’ সেই ব্যক্তিকে বলা হয় যিনি নিজে তার পূর্ববর্তী ধর্ম বা মতবাদ নিজে ঘোষণা দিয়ে বর্জন করেন। অন্যের কথায় কেউ ‘মুরতাদ’ হয় না। আর একইভাবে ‘নাস্তিক’কেও একথা বলে ঘোষণা দিতে হয়, আমি কোন স্রষ্টা বা আল্লাহ্র অস্তিত্ব মানি না। এবার প্রশ্ন দাঁড়ালো, ড. আহমদ শরীফ ও তার সমমনারা কি কখনও প্রকাশ্যে ঘোষণা দিয়ে বলেছিলেন, আমরা আল্লাহ্ বা স্রষ্টাকে অস্বীকার করি? যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের পক্ষ থেকে এ ধরণের সুনির্দিষ্ট ঘোষণা সাব্যস্ত না হয়, অন্যের মুখের কথায় কেউ নাস্তিকও সাব্যস্ত হতে পারে না আর কেউ ‘মুরতাদ’ও সাব্যস্ত হতে পারে না।
দ্বিতীয় কথা হলো, আল্লাহ্র অস্তিত্বকে অস্বীকার করায় কেউ জাগতিক শাস্তিযোগ্য অপরাধীই সাব্যস্ত হয় না। আল্লাহ্র অস্তিত্বকে অস্বীকার করলে জাগতিক কোন শাস্তি দিতে হয় এমন কোন বিধান কোরআন শরীফের কোন আয়াত বা নবীজী (দ.)-এর কোন সুন্নত দ্বারা কোন মৌলবাদী হুজুর প্রমাণ করতে পারবে না। মজার ব্যাপার

Sunday, October 6, 2013

‘মূল’কে বাদ দিয়ে মৌলবাদী- পর্ব ০২

৬ ডিসেম্বর ১৯৯২ ভারতের উগ্র ধর্মান্ধ রাজনৈতিক দল বিজেপি’র উস্কানিতে একদল উশৃঙ্খল মানুষ ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদ ভেঙ্গে দেয়। এ প্রেক্ষাপটে ভারত ও পাকিস্তানের উগ্র মৌলবাদী চক্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পিছপা হয় নি। বাংলাদেশেও একটি চিহ্নিত উগ্র ধর্মান্ধ গোষ্ঠি নোয়াখালী ভোলাসহ দেশের বিভিন্ন অংশে হিন্দুদের মন্দির, মঠ এবং সম্পত্তিতে আক্রমণ চালায়। অযোদ্ধার এই ঐতিহাসিক মসজিদ যদিও প্রায় পরিত্যাক্ত অবস্থায় ছিল এবং নিয়মিত নামায সেখানে কেউ পড়তো না কিন্তু তা সত্ত্বেও একটি ঐতিহাসিক উপাসনালয় ধ্বংস নিঃসন্দেহে ধর্মীয় ভাবাবেগকে উস্কে দেয়ার মত ছিল। কিন্তু সেই ভাবাবেগের বহিঃপ্রকাশ ইসলামী পন্থায় না করে অ-ইসলামী বরং ইসলাম বিরোধী পন্থায় করা হয়। অর্থাৎ সকল ধর্ম মতের লোকদের মাঝে শান্তি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের কথা না বলে সংখ্যাগরিষ্ঠতার অজুহাতে গায়ের জোরে ধর্মসেবা বরং ধর্ম বিদ্বেষ দেখানো আরম্ভ করে দেয়া হয়। এ কথা ঠিক, বাবরি মসজিদকে কেন্দ্র করে উদ্ভুত পরিস্থিতিতে সেদেশের সরকার কর্তৃক রাজনৈতিক স্বার্থসিদ্ধির বিষয়টি উড়িয়ে দেয়া যায় না। কিন্তু তারা যা-ই করেছে সেদিকে না গিয়ে আমাদের কী কী করণীয় ছিল আর কী করেছিÑ সে বিষয়ে আলোচনা করা আবশ্যক বলে মনে করি। পবিত্র কোরআনে যেখানে

Friday, October 4, 2013

‘মূল’কে বাদ দিয়ে মৌলবাদী ১ম পর্ব

যে সব খড়গ ব্যবহার করে এদেশের গ্রামে-গঞ্জে ‘মৌলোভী’ সাহেবরা সামাজিক নিপীড়ন চালিয়ে আসছেন এগুলোর মাঝে ‘তালাকের মোক্ষম অস্ত্র’টি অন্যতম। ধরুন, একজন অশিক্ষিত শ্রমিক সারাদিন গায়ে-গতরে খেটে এসে বাড়ীতে খেতে বসেছে। সামান্য কোন কথায় ক্লান্ত এ মানুষটি রেগে গিয়ে তার বউকে রাগের মাথায় গালি দিতে আরম্ভ করে। এরই এক পর্যায়ে মুখ ফসকে ‘তালাক’ শব্দটি বেরিয়ে গেল। ব্যাস, আর নিস্তার নেই। মৌলোভী সাহেবরা রাগের মাথায় উচ্চারিত এই ‘তালাক’ শব্দটিকে শিরধার্য সাব্যস্ত করে দেন আর কেবল সাব্যস্তই করেন না বরং ধর্মের সমস্ত বিধি-বিধান জলাঞ্জলি দিয়ে এ কথাকে অপ্রত্যাহারযোগ্য তিন তালাক (তালাকে বাত্তা) আখ্যা দিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে পৃথক করে দেন। আর নিজ স্ত্রীকে ফেরত পেতে চাইলে স্বামীকে স্পষ্ট জবাব দিয়ে দেন, ‘হিলা বিয়ে’ ছাড়া সে তার স্ত্রীকে আর ফিরে পেতে পারে না। অথচ রাগের মাথায় উচ্চারিত ‘তালাক’